ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন করে সংসদকে কলুষিত করতে চাই না: হিরো আলম

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৪ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন না আলোচিক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। তার মতে, নির্বাচন করে সংসদকে কলুষিত করতে চান না তিনি। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে আগেই নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন হিরো আলম। শুরুতে গুঞ্জন ছিল তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তবে শেষ মুহূর্তে তিনি ‘আমজনতা’ দল থেকে মনোনয়নপত্র নেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা ফরমটি গ্রহণ না করায় হিরো আলমের নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল।

তবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের রায়ে সেই অনিশ্চয়তা কেটেছে। তবে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেবেন না, নির্বাচনে অংশ নেবেন না। এ বিষয়ে আক্ষেপ নিয়ে আশরাফুল আলম গণমাধ্যমে বলেন, কিছু লোক বলে যে, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। সেটা মাথায় রেখেই নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংসদ ভবনকে কোনোভাবেই কলুষিত করতে চাই না।’ আরও কোন কারণ রয়েছে কি-না সে বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘অনেক কারণ আছে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সেটা একটা। দ্বিতীয় কারণ, নির্বাচন করতে অনেক টাকা-পয়সা প্রয়োজন। আমার এখন আর এত টাকা-পয়সা নেই। এতদিন যা ছিল, সেগুলো দিয়ে করেছি। তবে নির্বাচন না করলেও আমি সাধারণ জনগণের পাশে থাকব।’ নির্বাচনে না দাঁড়ানোর তৃতীয় কারণ হিসেবে আলম দায়ী করছেন নির্বাচনের পরিবেশকে। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ নির্বাচনের পরিবেশ কেন যেন ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। কয়েকদিন আগেও গরম ছিল। আশা রাখছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তারা অনেক বছর ভোট দিতে পারে না। এবার যাকে খুশি তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে তাদের, সেই প্রত্যাশা রাখছি।’

এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই নির্বাচনে তিনি পান ৬৩৮ ভোট এবং মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পাবার দরুন তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সংসদ সদস্যরা পদত্যাগ করলে বগুড়ার বগুড়া-৬ (সদর) এবং বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। হিরো আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুটো আসনেরই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তবে ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে অংশ নিয়ে মাত্র ৮৩৪ ভোটে হেরে যান হিরো আলম।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

নির্বাচন করে সংসদকে কলুষিত করতে চাই না: হিরো আলম

আপডেট সময় ১২:০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন না আলোচিক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। তার মতে, নির্বাচন করে সংসদকে কলুষিত করতে চান না তিনি। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে আগেই নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন হিরো আলম। শুরুতে গুঞ্জন ছিল তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তবে শেষ মুহূর্তে তিনি ‘আমজনতা’ দল থেকে মনোনয়নপত্র নেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা ফরমটি গ্রহণ না করায় হিরো আলমের নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল।

তবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের রায়ে সেই অনিশ্চয়তা কেটেছে। তবে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেবেন না, নির্বাচনে অংশ নেবেন না। এ বিষয়ে আক্ষেপ নিয়ে আশরাফুল আলম গণমাধ্যমে বলেন, কিছু লোক বলে যে, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। সেটা মাথায় রেখেই নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংসদ ভবনকে কোনোভাবেই কলুষিত করতে চাই না।’ আরও কোন কারণ রয়েছে কি-না সে বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘অনেক কারণ আছে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সেটা একটা। দ্বিতীয় কারণ, নির্বাচন করতে অনেক টাকা-পয়সা প্রয়োজন। আমার এখন আর এত টাকা-পয়সা নেই। এতদিন যা ছিল, সেগুলো দিয়ে করেছি। তবে নির্বাচন না করলেও আমি সাধারণ জনগণের পাশে থাকব।’ নির্বাচনে না দাঁড়ানোর তৃতীয় কারণ হিসেবে আলম দায়ী করছেন নির্বাচনের পরিবেশকে। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ নির্বাচনের পরিবেশ কেন যেন ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। কয়েকদিন আগেও গরম ছিল। আশা রাখছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তারা অনেক বছর ভোট দিতে পারে না। এবার যাকে খুশি তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে তাদের, সেই প্রত্যাশা রাখছি।’

এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই নির্বাচনে তিনি পান ৬৩৮ ভোট এবং মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পাবার দরুন তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সংসদ সদস্যরা পদত্যাগ করলে বগুড়ার বগুড়া-৬ (সদর) এবং বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। হিরো আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুটো আসনেরই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তবে ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে অংশ নিয়ে মাত্র ৮৩৪ ভোটে হেরে যান হিরো আলম।