ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেপর্দা মেয়েদের পাশে বসিয়ে সেলফি তোলেন জামায়াতের আমির: চরমোনাই পীর

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৫:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৭৭ বার পড়া হয়েছে

এবার বেপর্দা নারীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির সেলফি তুলে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতীবান্ধার আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে মুরুব্বি মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে যখন এ দেশে অরাজকতা ছিল তখন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জানমাল হেফাজতের জন্য পাহারাদারের দ্বায়িত্ব পালন করেছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জানের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া মানুষের দুঃসময়ে খাদেম হয়ে দাঁড়িয়েছি। এসময় হাতপাখা মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করেন তিনি। এ জনসভায় ইসলামি আন্দোলনের জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

খামারিদের বাড়িতে বাড়িতে রক্তমাখা চিঠি: ডাকাতি করতে আসবো, দরজা না খুললে ‘জিন্দা খালাস’

বেপর্দা মেয়েদের পাশে বসিয়ে সেলফি তোলেন জামায়াতের আমির: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় ০৫:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

এবার বেপর্দা নারীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির সেলফি তুলে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতীবান্ধার আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে মুরুব্বি মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে যখন এ দেশে অরাজকতা ছিল তখন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জানমাল হেফাজতের জন্য পাহারাদারের দ্বায়িত্ব পালন করেছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জানের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া মানুষের দুঃসময়ে খাদেম হয়ে দাঁড়িয়েছি। এসময় হাতপাখা মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করেন তিনি। এ জনসভায় ইসলামি আন্দোলনের জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।