ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মারা গেলেন মসজিদে নববির কিংবদন্তি কোরআনের শিক্ষক শায়খ হাজি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:২১:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

এবার মদিনার মসজিদে নববিতে দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী ধরে পবিত্র কোরআন ও দশ কিরাতের শিক্ষাদানকারী প্রখ্যাত আলেম শায়খ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ হাজি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ৫০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি কয়েক প্রজন্মের হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করেছেন। শায়খ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ হাজি এমন সময়ে মসজিদে নববিতে পাঠদান শুরু করেন, যখন আজকের মতো আধুনিক সুযোগসুবিধা ছিল না। মসজিদের মেঝেতে তখন কার্পেটের পরিবর্তে ছিল কাঁকর বিছানো প্রাঙ্গণ। সেই সরল পরিবেশ থেকে শুরু করে আমৃত্যু তিনি মসজিদে নববির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের সাক্ষী হয়ে দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন।

মদিনার আলেম সমাজে তাঁর নিষ্ঠা ছিল কিংবদন্তিতুল্য। সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ৫০ বছরে তিনি কখনও একটি দারস (পাঠদান) বাদ দেননি। কেবল একবার নিজের আপন বোনের ইন্তেকালের দিন তিনি সাময়িক বিরতি নেন। জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেই তিনি পুনরায় ছাত্রদের কাছে ফিরে এসে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান শুরু করেন। কোরআনের প্রতি তাঁর একনিষ্ঠ ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ তাঁকে অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।

অর্ধশতাব্দীর শিক্ষকতা জীবনে তাঁর কাছে শিক্ষা নিয়েছেন অগণিত ছাত্র। তাঁদের অনেকেই আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খ্যাতিমান কোরআন শিক্ষক ও দ্বীনি দাঈ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তাঁর শেখানো কোরআনের ধারা বিশ্বজুড়ে বহু প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আজীবন খাদেমকে মদিনার ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাঁর ইন্তেকালে স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদে নববির নিয়মিত মুসল্লিদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

মারা গেলেন মসজিদে নববির কিংবদন্তি কোরআনের শিক্ষক শায়খ হাজি

আপডেট সময় ১০:২১:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার মদিনার মসজিদে নববিতে দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী ধরে পবিত্র কোরআন ও দশ কিরাতের শিক্ষাদানকারী প্রখ্যাত আলেম শায়খ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ হাজি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ৫০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি কয়েক প্রজন্মের হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করেছেন। শায়খ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ হাজি এমন সময়ে মসজিদে নববিতে পাঠদান শুরু করেন, যখন আজকের মতো আধুনিক সুযোগসুবিধা ছিল না। মসজিদের মেঝেতে তখন কার্পেটের পরিবর্তে ছিল কাঁকর বিছানো প্রাঙ্গণ। সেই সরল পরিবেশ থেকে শুরু করে আমৃত্যু তিনি মসজিদে নববির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের সাক্ষী হয়ে দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন।

মদিনার আলেম সমাজে তাঁর নিষ্ঠা ছিল কিংবদন্তিতুল্য। সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ৫০ বছরে তিনি কখনও একটি দারস (পাঠদান) বাদ দেননি। কেবল একবার নিজের আপন বোনের ইন্তেকালের দিন তিনি সাময়িক বিরতি নেন। জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেই তিনি পুনরায় ছাত্রদের কাছে ফিরে এসে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান শুরু করেন। কোরআনের প্রতি তাঁর একনিষ্ঠ ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ তাঁকে অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।

অর্ধশতাব্দীর শিক্ষকতা জীবনে তাঁর কাছে শিক্ষা নিয়েছেন অগণিত ছাত্র। তাঁদের অনেকেই আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খ্যাতিমান কোরআন শিক্ষক ও দ্বীনি দাঈ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তাঁর শেখানো কোরআনের ধারা বিশ্বজুড়ে বহু প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আজীবন খাদেমকে মদিনার ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাঁর ইন্তেকালে স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদে নববির নিয়মিত মুসল্লিদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।