ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সময় গেলে সাধন হবে না: মাহফুজকে আনিস আলমগীর

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৫১২ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ফেসবুক পোস্টের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। বুধবার (২০ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্ট তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। পোস্টে আনিস আলমগীর বলেন, ‘বিশ্ব বাটপার ইউনূসের পাল্লায় পড়ে, পরবর্তীতে জামায়াতের ইশারায় নেচে নেচে মাহফুজের ভাইব্রাদারেরা জুলাই অভ্যুত্থানের যে বারোটা বাজিয়েছেনসেটি কি মাহফুজ তারঅল্টারনেটিভদিয়ে আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন? ‘সময় গেলে সাধন হবে না’, মাহফুজ!

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের ফেসবুক পোস্ট পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো : মাহফুজ আলমের একটি ফেইসবুক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং আজকের পত্রিকাগুলোতে ভালোই কাটতি পেয়েছে। জুলাই আন্দোলনে ইউনূসের কথিতমাস্টারমাইন্ডএবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ‘(আওয়ামী) লীগ ফিরছেশিরোনামের স্ট্যাটাসটিতে বলতে চেয়েছেন যে, জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ছিলবৈষম্যবিরোধীএবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) বাংলাদেশ গঠন। কিন্তু ক্ষমতার সমীকরণে এসে মব জাস্টিস ও উগ্রবাদ ভর করা এবং জুলাইকে স্বাধীনতাবিরোধী জামাতের হাতে তুলে দেওয়ার কারণে মূলত আওয়ামী লীগ ফেরার পথ তৈরি হয়েছে।

তিনি খুব সূক্ষ্মভাবে দেখিয়েছেন যে, ফ্যাসিবাদ কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম নয়; এটি আসলে একটি আচরণ। লীগের পতনের পর যদি নতুন কোনো শক্তি একই কায়দায় মব লেলিয়ে দেয়, সংস্কৃতি সেন্সর করে, কিংবা ভিন্নমত দমন করে, তবে প্রকারান্তরেলীগ‘-এর সেই ফ্যাসিবাদেরই পুনরুত্থান ঘটে। প্রথম পোস্টটি আওয়ামী লীগ গোষ্ঠী, তাদের ভাষায় শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের সমর্থকরা, বেশ আগ্রহ নিয়ে প্রচার করা শুরু করলে, মাহফুজের হয়তো মনে হয়েছে যে জুলাইব্যবসায়ী গোষ্ঠী তাকে বাতিল করে দিতে পারে। তাই এর ঠিক দুই ঘণ্টা পর আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি তাদের বর্তমান করণীয় কাজের তালিকায় এটিও উল্লেখ করেছেন– “যারা গত দেড় বছরকে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের চাইতে দুঃসহ/ খারাপ করে দেখাতে চেষ্টা করার মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার অপকর্ম ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, সেসব লীগের ফ্যাসিস্টদের প্রতিহত করা।

তবুও ভালো যে, মাহফুজ এবার তার পুরনো অভ্যাস অনুযায়ী আগের স্ট্যাটাসটি হাইড করে দেননি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, মাহফুজ আলমের প্রথম পোস্টটি ছিল একটিঅ্যালার্ম বেলবা সতর্কবার্তা, যা ইউনূসের শাসনামলে তাদের ভুল আচরণগুলোকে নগ্ন করে দিয়েছে। আর দ্বিতীয় পোস্টটি হলো জুলাই ব্যবসার বাজার জিইয়ে রাখার একটি রাজনৈতিক ইশতেহার।  এই পোস্ট দুটি প্রমাণ করে যে, তিনি মাঠের আন্দোলনের চেতনা এবং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে ভুলে যাননি, বরং তা হারানোর ভয়ে শঙ্কিত। কিন্তু বিশ্ব বাটপার ইউনূসের পাল্লায় পড়ে, পরবর্তীতে জামাতের ইশারায় নেচে নেচে মাহফুজের ভাইব্রাদারেরা জুলাই অভ্যুত্থানের যে বারোটা বাজিয়েছেনসেটি কি মাহফুজ তারঅল্টারনেটিভদিয়ে আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন?
সময় গেলে সাধন হবে না‘, মাহফুজ!

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রিয় সোনামণি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত: জামায়াত আমির

সময় গেলে সাধন হবে না: মাহফুজকে আনিস আলমগীর

আপডেট সময় ১১:৩৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ফেসবুক পোস্টের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। বুধবার (২০ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্ট তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। পোস্টে আনিস আলমগীর বলেন, ‘বিশ্ব বাটপার ইউনূসের পাল্লায় পড়ে, পরবর্তীতে জামায়াতের ইশারায় নেচে নেচে মাহফুজের ভাইব্রাদারেরা জুলাই অভ্যুত্থানের যে বারোটা বাজিয়েছেনসেটি কি মাহফুজ তারঅল্টারনেটিভদিয়ে আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন? ‘সময় গেলে সাধন হবে না’, মাহফুজ!

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের ফেসবুক পোস্ট পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো : মাহফুজ আলমের একটি ফেইসবুক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং আজকের পত্রিকাগুলোতে ভালোই কাটতি পেয়েছে। জুলাই আন্দোলনে ইউনূসের কথিতমাস্টারমাইন্ডএবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ‘(আওয়ামী) লীগ ফিরছেশিরোনামের স্ট্যাটাসটিতে বলতে চেয়েছেন যে, জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ছিলবৈষম্যবিরোধীএবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) বাংলাদেশ গঠন। কিন্তু ক্ষমতার সমীকরণে এসে মব জাস্টিস ও উগ্রবাদ ভর করা এবং জুলাইকে স্বাধীনতাবিরোধী জামাতের হাতে তুলে দেওয়ার কারণে মূলত আওয়ামী লীগ ফেরার পথ তৈরি হয়েছে।

তিনি খুব সূক্ষ্মভাবে দেখিয়েছেন যে, ফ্যাসিবাদ কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম নয়; এটি আসলে একটি আচরণ। লীগের পতনের পর যদি নতুন কোনো শক্তি একই কায়দায় মব লেলিয়ে দেয়, সংস্কৃতি সেন্সর করে, কিংবা ভিন্নমত দমন করে, তবে প্রকারান্তরেলীগ‘-এর সেই ফ্যাসিবাদেরই পুনরুত্থান ঘটে। প্রথম পোস্টটি আওয়ামী লীগ গোষ্ঠী, তাদের ভাষায় শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের সমর্থকরা, বেশ আগ্রহ নিয়ে প্রচার করা শুরু করলে, মাহফুজের হয়তো মনে হয়েছে যে জুলাইব্যবসায়ী গোষ্ঠী তাকে বাতিল করে দিতে পারে। তাই এর ঠিক দুই ঘণ্টা পর আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি তাদের বর্তমান করণীয় কাজের তালিকায় এটিও উল্লেখ করেছেন– “যারা গত দেড় বছরকে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের চাইতে দুঃসহ/ খারাপ করে দেখাতে চেষ্টা করার মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার অপকর্ম ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, সেসব লীগের ফ্যাসিস্টদের প্রতিহত করা।

তবুও ভালো যে, মাহফুজ এবার তার পুরনো অভ্যাস অনুযায়ী আগের স্ট্যাটাসটি হাইড করে দেননি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, মাহফুজ আলমের প্রথম পোস্টটি ছিল একটিঅ্যালার্ম বেলবা সতর্কবার্তা, যা ইউনূসের শাসনামলে তাদের ভুল আচরণগুলোকে নগ্ন করে দিয়েছে। আর দ্বিতীয় পোস্টটি হলো জুলাই ব্যবসার বাজার জিইয়ে রাখার একটি রাজনৈতিক ইশতেহার।  এই পোস্ট দুটি প্রমাণ করে যে, তিনি মাঠের আন্দোলনের চেতনা এবং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে ভুলে যাননি, বরং তা হারানোর ভয়ে শঙ্কিত। কিন্তু বিশ্ব বাটপার ইউনূসের পাল্লায় পড়ে, পরবর্তীতে জামাতের ইশারায় নেচে নেচে মাহফুজের ভাইব্রাদারেরা জুলাই অভ্যুত্থানের যে বারোটা বাজিয়েছেনসেটি কি মাহফুজ তারঅল্টারনেটিভদিয়ে আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন?
সময় গেলে সাধন হবে না‘, মাহফুজ!