ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বার্তা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক বাণীতে বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্ব মানবতার জন্য যে অনিন্দ্য সুন্দর শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, তা প্রতিটি যুগ ও শতাব্দীর মানুষের জন্য মুক্তির দিশারি হিসেবে পথ দেখাবে।

তিনি বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত। মহান আল্লাহ তাঁকে মানবজাতির হেদায়েত ও নাজাতের জন্য প্রেরণ করেছেন। কুরআনে বলা হয়েছে, ‘হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমতরূপে প্রেরণ করেছি’ (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)।

প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, নবী করিম (সা.) সব ধরনের অন্যায়, কুসংস্কার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়ে আলোর পথ দেখাতে এসেছিলেন। তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, অপরিমেয় দয়া ও মহৎ গুণাবলী কুরআনে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ্’ অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, মহানবীর (সা.) জীবন ও সুন্নাহ অনুসরণ করলে আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বেও শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। মুসলমানদের জন্য তাঁর আদর্শ অনুসরণই সাফল্য, শান্তি ও কল্যাণের উৎস।

শেষে তিনি দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রার্থনা করেন—পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুসংহত হোক, এবং মহানবীর (সা.) জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের কল্যাণ নিশ্চিত হোক।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে ব্যর্থ হলেও ভেনেজুয়েলার সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বার্তা

আপডেট সময় ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক বাণীতে বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্ব মানবতার জন্য যে অনিন্দ্য সুন্দর শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, তা প্রতিটি যুগ ও শতাব্দীর মানুষের জন্য মুক্তির দিশারি হিসেবে পথ দেখাবে।

তিনি বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত। মহান আল্লাহ তাঁকে মানবজাতির হেদায়েত ও নাজাতের জন্য প্রেরণ করেছেন। কুরআনে বলা হয়েছে, ‘হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমতরূপে প্রেরণ করেছি’ (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)।

প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, নবী করিম (সা.) সব ধরনের অন্যায়, কুসংস্কার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়ে আলোর পথ দেখাতে এসেছিলেন। তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, অপরিমেয় দয়া ও মহৎ গুণাবলী কুরআনে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ্’ অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, মহানবীর (সা.) জীবন ও সুন্নাহ অনুসরণ করলে আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বেও শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। মুসলমানদের জন্য তাঁর আদর্শ অনুসরণই সাফল্য, শান্তি ও কল্যাণের উৎস।

শেষে তিনি দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রার্থনা করেন—পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুসংহত হোক, এবং মহানবীর (সা.) জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের কল্যাণ নিশ্চিত হোক।