ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ: বিক্ষোভে নিহত ১৯, আহত শতাধিক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬২৬ বার পড়া হয়েছে

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন। রাজধানী কাঠমান্ডু ও অন্যান্য শহরে তরুণদের বিক্ষোভের সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত এবং ৪০০ জনের বেশি আহত হওয়ার ঘটনার পর নৈতিক দায় স্বীকার করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। নিহতদের মধ্যে কাঠমান্ডুতেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন এবং ইটাহারিতে আরও দুইজন।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির বাসভবন বালুওয়াতারে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমেশ লেখক পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে তিনি নেপালি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে নিজের সিদ্ধান্ত জানান। গত ১৫ জুলাই তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনাটি সরকারের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে। এর আগের দিন নেপালি কংগ্রেসের বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক গগন থাপা এবং বিশ্ব প্রকাশ শর্মা লেখকের পদত্যাগ দাবি করেন। কংগ্রেস সভাপতি শের বাহাদুর দেউবা নীরব থাকলেও লেখক মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে সভায় পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

নেপালে তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জি’দের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মূলত জবাবদিহিতা ও শাসনব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠে। গত ৪ সেপ্টেম্বর সরকারের সিদ্ধান্তে ২৬টি সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ করার পর আন্দোলন শুরু হয়। ধীরে ধীরে এটি দুর্নীতি ও দুশাসনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সোমবার কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন নগর কেন্দ্রে সহিংস আকার ধারণ করে। পুলিশের গুলি চালনায় ব্যাপক হতাহতের পর সরকার অভ্যন্তরীণ সংকটে পড়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ: বিক্ষোভে নিহত ১৯, আহত শতাধিক

আপডেট সময় ১০:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন। রাজধানী কাঠমান্ডু ও অন্যান্য শহরে তরুণদের বিক্ষোভের সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত এবং ৪০০ জনের বেশি আহত হওয়ার ঘটনার পর নৈতিক দায় স্বীকার করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। নিহতদের মধ্যে কাঠমান্ডুতেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন এবং ইটাহারিতে আরও দুইজন।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির বাসভবন বালুওয়াতারে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমেশ লেখক পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে তিনি নেপালি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে নিজের সিদ্ধান্ত জানান। গত ১৫ জুলাই তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনাটি সরকারের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে। এর আগের দিন নেপালি কংগ্রেসের বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক গগন থাপা এবং বিশ্ব প্রকাশ শর্মা লেখকের পদত্যাগ দাবি করেন। কংগ্রেস সভাপতি শের বাহাদুর দেউবা নীরব থাকলেও লেখক মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে সভায় পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

নেপালে তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জি’দের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মূলত জবাবদিহিতা ও শাসনব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠে। গত ৪ সেপ্টেম্বর সরকারের সিদ্ধান্তে ২৬টি সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ করার পর আন্দোলন শুরু হয়। ধীরে ধীরে এটি দুর্নীতি ও দুশাসনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সোমবার কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন নগর কেন্দ্রে সহিংস আকার ধারণ করে। পুলিশের গুলি চালনায় ব্যাপক হতাহতের পর সরকার অভ্যন্তরীণ সংকটে পড়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।