এবার আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য পাচার ঠেকাতে পঞ্চগড় সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ জন্য দেশের একমাত্র চারদেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আজ শনিবার (৮ মার্চ) সকাল থেকে পঞ্চগড়–১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ও জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সদর দপ্তরের নির্দেশনায় পঞ্চগড়ের প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সম্ভাব্য জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। এসব চেকপোস্টে সন্দেহভাজন যানবাহন ও পণ্যবাহী মালামাল তল্লাশি করা হচ্ছে।
এ ছাড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াতকারী যাত্রীদেরও তল্লাশি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্তজুড়ে নিয়মিত টহল বাড়ানো এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। জ্বালানি তেল পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে যশোর সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি দেখা গেছে। ট্রাকে ট্রাকে গিয়ে বিজিবির সদস্যরা পরীক্ষা–নীরিক্ষা করছেন। অন্য কোনো উপায়েও যাতে তেল প্রতিবেশি দেশে পাচার না হয়ে যায়, সে বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা। এছাড়া, সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি পাচার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিজিবি। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে বিজিবি টহল।
ভোমরা বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিয়ে ভারতগামী ট্রাকও তল্লাশি চলছে। ভারত থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকও যেন এদেশ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি ভরে ভারত চলে যেতে না পারে সেটিও নজরদারির করেছে বিজিবি। সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক কাজী আশিকুর রহমান জানান, ব্যাটালিয়নের ৫৪ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা দিয়ে যেন জ্বালানি পাচার হতে না পারে সেজন্য আমরা সতর্ক রয়েছি। দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ফিলিং স্টেশনগুলো সরকারি নির্দেশনা মেনে জ্বালানি বিক্রি করছে কিনা সেটি তদারকি করা হচ্ছে।






















