ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজার উদ্দেশে ছুটে চলেছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘দ্য ম্যারিনেট

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৯৭ বার পড়া হয়েছে

ইসরাইলি নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ সত্ত্বেও গাজার উদ্দেশে ছুটছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘দ্য ম্যারিনেট’। পোল্যান্ডের পতাকা বহনকারী এই ত্রাণবাহী নৌযানটি এখন পর্যন্ত আটকাতে পারেনি ইসরাইলি বাহিনী।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, জাহাজটি বর্তমানে গাজা উপকূল থেকে মাত্র একশ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এতে রয়েছেন ছয়জন মানবাধিকারকর্মী। যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ওঠার পর জাহাজটি আবারো যাত্রা শুরু করে এবং দুই দশমিক এক ছয় নটিক্যাল মাইল গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। স্টারলিংকের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ রক্ষা করছে ‘দ্য ম্যারিনেট’।

এর আগে ইসরাইলি বাহিনী সুমুদ ফ্লোটিলার মোট ৪৪টি নৌযানের মধ্যে ৪৩টিই আটক করে। আটক হওয়া নৌযানগুলো থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানবাধিকারকর্মীকে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়, যাদের পরবর্তীতে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে—‘দ্য ম্যারিনেট’ কি গাজায় পৌঁছাতে পারবে, নাকি এটিও ইসরাইলি বাহিনীর হাতে জব্দ হবে?

জনপ্রিয় সংবাদ

আমি সাংবাদিককে থ্রেট দিচ্ছি না, আমাকে নিউজ করতে হলে অবশ্যই আমার মন্তব্য নিতে হবে: রাশেদ খান

গাজার উদ্দেশে ছুটে চলেছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘দ্য ম্যারিনেট

আপডেট সময় ১১:২৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

ইসরাইলি নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ সত্ত্বেও গাজার উদ্দেশে ছুটছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ জাহাজ ‘দ্য ম্যারিনেট’। পোল্যান্ডের পতাকা বহনকারী এই ত্রাণবাহী নৌযানটি এখন পর্যন্ত আটকাতে পারেনি ইসরাইলি বাহিনী।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, জাহাজটি বর্তমানে গাজা উপকূল থেকে মাত্র একশ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এতে রয়েছেন ছয়জন মানবাধিকারকর্মী। যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ওঠার পর জাহাজটি আবারো যাত্রা শুরু করে এবং দুই দশমিক এক ছয় নটিক্যাল মাইল গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। স্টারলিংকের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ রক্ষা করছে ‘দ্য ম্যারিনেট’।

এর আগে ইসরাইলি বাহিনী সুমুদ ফ্লোটিলার মোট ৪৪টি নৌযানের মধ্যে ৪৩টিই আটক করে। আটক হওয়া নৌযানগুলো থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানবাধিকারকর্মীকে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়, যাদের পরবর্তীতে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে—‘দ্য ম্যারিনেট’ কি গাজায় পৌঁছাতে পারবে, নাকি এটিও ইসরাইলি বাহিনীর হাতে জব্দ হবে?