ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্বলে-পুড়ে কারখানার ছাদ-দেয়াল ধসে পড়ছে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০১:২৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৩৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিক্যাল কোম্পানির গুদামে লাগা আগুন কিছুতে নেভানো যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে আটতলা ভবনের সপ্তম তলায় আগুন লাগার পর থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করলেও এর মাঝে ভবনের পুরোটাই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইতোমধ্যে আটতলা থেকে নিচের দিকে আগুন ছড়িয়ে রাত ১১টার দিকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত এসেছে। আগুন নেভাতে পারছে না ফায়ার সার্ভিসের বিপুলসংখ্যক সদস্যরা।

 

 

রাতে বৃষ্টি হয়েছে। এরপরও আগুন নিভছে না। আগুনের ভয়াবহতা তীব্র থেকে আরো তীব্রতর হচ্ছে। এতে করে আশপাশের ভবনেও আগুন লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

 

আগুনে পুড়ে যাওয়া কারখানা ভবনটি উপর থেকে ভেঙে একের পর এক ছাদ-দেওয়ালসহ বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ছে।

সেখান থেকে মাঝে মধ্যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অষ্টম ও সপ্তম তলা ছাদ ভেঙে পড়েছে।

 

জানা যায়, আগুনের তাপের কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাছে যেতে পারছেন না।

 

দূর থেকে এক পাশে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন তারা। এর মধ্যে আগুন পাশের একটি তিনতলা ভবনেও ছড়িয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চেষ্টা করছেন আগুন যাতে আশপাশে কারখানা ও ভবনে ছড়াতে না পারে। এ ছাড়া ভয়াবহ এই আগুন নেভাতে কাজ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরাও।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পোহাতে হচ্ছে।

 

কারখানার মালিকপক্ষ জানিয়েছে, ভেতরে কোনো শ্রমিক আটকে নেই। আগুন নেভাতে আরো কত সময় লাগবে তা এখন বলা যাচ্ছে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ড. খলিলুরকে সমর্থন আলজেরিয়ার

জ্বলে-পুড়ে কারখানার ছাদ-দেয়াল ধসে পড়ছে

আপডেট সময় ০১:২৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিক্যাল কোম্পানির গুদামে লাগা আগুন কিছুতে নেভানো যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে আটতলা ভবনের সপ্তম তলায় আগুন লাগার পর থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করলেও এর মাঝে ভবনের পুরোটাই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইতোমধ্যে আটতলা থেকে নিচের দিকে আগুন ছড়িয়ে রাত ১১টার দিকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত এসেছে। আগুন নেভাতে পারছে না ফায়ার সার্ভিসের বিপুলসংখ্যক সদস্যরা।

 

 

রাতে বৃষ্টি হয়েছে। এরপরও আগুন নিভছে না। আগুনের ভয়াবহতা তীব্র থেকে আরো তীব্রতর হচ্ছে। এতে করে আশপাশের ভবনেও আগুন লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

 

আগুনে পুড়ে যাওয়া কারখানা ভবনটি উপর থেকে ভেঙে একের পর এক ছাদ-দেওয়ালসহ বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ছে।

সেখান থেকে মাঝে মধ্যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অষ্টম ও সপ্তম তলা ছাদ ভেঙে পড়েছে।

 

জানা যায়, আগুনের তাপের কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাছে যেতে পারছেন না।

 

দূর থেকে এক পাশে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন তারা। এর মধ্যে আগুন পাশের একটি তিনতলা ভবনেও ছড়িয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চেষ্টা করছেন আগুন যাতে আশপাশে কারখানা ও ভবনে ছড়াতে না পারে। এ ছাড়া ভয়াবহ এই আগুন নেভাতে কাজ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরাও।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পোহাতে হচ্ছে।

 

কারখানার মালিকপক্ষ জানিয়েছে, ভেতরে কোনো শ্রমিক আটকে নেই। আগুন নেভাতে আরো কত সময় লাগবে তা এখন বলা যাচ্ছে না।