ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে মসজিদে শিবিরের দারসুল কোরআন অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলা, আহত ২০

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৩৬ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী সদর উপজেলায় ছাত্রশিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার বিকেলে নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

 

 

এর আগে গতকাল কাশেমবাজার মসজিদে ছাত্রশিবিরের কোরআন শিক্ষা চলাকালে যুবদল নেতার হামলা ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

 

রবিবার দুপুরে সুধারাম মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। তারপর প্রতিবাদ হিসেবে বিকেলে ওই মসজিদে দারসুল কোরআন প্রতিযোগিতার কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রশিবির।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রবিবার আছরের নামাজের পর দারসুল কোরআন শুরু হলে বাহির থেকে জিয়ার স্লোগান দেয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারপর উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মসজিদের ভেতরে অবস্থান করছে এবং বাহিরে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিচ্ছেন। অল্প কিছু সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে।

 

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও নোয়াখালী শহর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান আরমান বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ কোরআন ক্লাসে বিএনপি হামলা করেছে। আমাদের ভাইয়েরা মসজিদে শুয়ে আছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে। হাসপাতালে নেয়ার মতো অবস্থা নেই। বারবার মসজিদে হামলা হচ্ছে।

 

 

নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল বলেন, নামাজ শেষে মসজিদ থেকে হামলা হয়েছে। যুবদলের সাবেক সভাপতি ফারুকের দুই ভাইসহ অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মসজিদের ভেতর থেকে বারবার হামলা করা হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে সুধরাম মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ড. খলিলুরকে সমর্থন আলজেরিয়ার

নোয়াখালীতে মসজিদে শিবিরের দারসুল কোরআন অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলা, আহত ২০

আপডেট সময় ০৮:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

নোয়াখালী সদর উপজেলায় ছাত্রশিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার বিকেলে নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

 

 

এর আগে গতকাল কাশেমবাজার মসজিদে ছাত্রশিবিরের কোরআন শিক্ষা চলাকালে যুবদল নেতার হামলা ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

 

রবিবার দুপুরে সুধারাম মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। তারপর প্রতিবাদ হিসেবে বিকেলে ওই মসজিদে দারসুল কোরআন প্রতিযোগিতার কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রশিবির।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রবিবার আছরের নামাজের পর দারসুল কোরআন শুরু হলে বাহির থেকে জিয়ার স্লোগান দেয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারপর উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মসজিদের ভেতরে অবস্থান করছে এবং বাহিরে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিচ্ছেন। অল্প কিছু সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে।

 

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও নোয়াখালী শহর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান আরমান বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ কোরআন ক্লাসে বিএনপি হামলা করেছে। আমাদের ভাইয়েরা মসজিদে শুয়ে আছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে। হাসপাতালে নেয়ার মতো অবস্থা নেই। বারবার মসজিদে হামলা হচ্ছে।

 

 

নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল বলেন, নামাজ শেষে মসজিদ থেকে হামলা হয়েছে। যুবদলের সাবেক সভাপতি ফারুকের দুই ভাইসহ অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মসজিদের ভেতর থেকে বারবার হামলা করা হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে সুধরাম মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আছি।