ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোরস্থানের পাশে রাতারাতি কালী মন্দির স্থাপন, এলাকায় চাঞ্চল্য

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৪৫ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ৩নং আলোয়া খোয়া ইউনিয়নের আলোয়া খোয়া গ্রামের পাল্টাপাড়া বাজার সংলগ্ন খাস জমিতে রাতারাতি কালী মন্দির স্থাপনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই খাস জমিতে মুসলমানদের গোরস্থান, খ্রিষ্টানদের কবরস্থান এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশানঘাট পাশাপাশি অবস্থিত। বহুদিন ধরে এই স্থানটি তিন ধর্মের মানুষের চিরনিদ্রার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে পূর্বে শ্মশানঘাটে কোনো স্থায়ী অবকাঠামো বা কালী মন্দির ছিল না।

অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত না করেই রাতের আঁধারে ওই স্থানে একটি কালী মন্দিরের অবকাঠামো স্থাপন করা হয়েছে। এতে মুসল্লিদের দাফন কার্যক্রম এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আটোয়ারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান— “উপজেলা নির্বাহী অফিসার বর্তমানে মিটিংয়ে রয়েছেন। তিনি ফিরে এসে বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত করবেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

গোরস্থানের পাশে রাতারাতি কালী মন্দির স্থাপন, এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট সময় ০৮:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ৩নং আলোয়া খোয়া ইউনিয়নের আলোয়া খোয়া গ্রামের পাল্টাপাড়া বাজার সংলগ্ন খাস জমিতে রাতারাতি কালী মন্দির স্থাপনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই খাস জমিতে মুসলমানদের গোরস্থান, খ্রিষ্টানদের কবরস্থান এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশানঘাট পাশাপাশি অবস্থিত। বহুদিন ধরে এই স্থানটি তিন ধর্মের মানুষের চিরনিদ্রার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে পূর্বে শ্মশানঘাটে কোনো স্থায়ী অবকাঠামো বা কালী মন্দির ছিল না।

অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত না করেই রাতের আঁধারে ওই স্থানে একটি কালী মন্দিরের অবকাঠামো স্থাপন করা হয়েছে। এতে মুসল্লিদের দাফন কার্যক্রম এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আটোয়ারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান— “উপজেলা নির্বাহী অফিসার বর্তমানে মিটিংয়ে রয়েছেন। তিনি ফিরে এসে বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত করবেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।