ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়া’তে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কা: মৃত্যুসংখ্যা ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৩১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৯৬ বার পড়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়া’–র প্রভাবে সৃষ্ট ভয়াবহ বৃষ্টি ও বন্যায় দেশে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের প্রাণহানি নিশ্চিত করা হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৭৬ জন। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শনিবার (২৯ নভেম্বর) দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে—এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানায়, প্রবল বর্ষণে ১৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং ৭৮ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। অনুরাধাপুরায় আটকে পড়া এক জার্মান পর্যটকসহ ৬৯ জনকে হেলিকপ্টার ও নৌযানের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়েছে।

দেশের প্রায় এক–তৃতীয়াংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বদুল্লাসহ মধ্যাঞ্চলের বহু জায়গায় রাস্তা-ঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ত্রাণ পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইছে শ্রীলঙ্কা। আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রথম ত্রাণসহায়তা পাঠিয়েছে প্রতিবেশী ভারত। প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

২০১৭ সালের পর এই দুর্যোগটিকেই শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে মনে করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টি দেশটি অতিক্রম করে এখন ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট

ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়া’তে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কা: মৃত্যুসংখ্যা ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি

আপডেট সময় ১০:৩১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়া’–র প্রভাবে সৃষ্ট ভয়াবহ বৃষ্টি ও বন্যায় দেশে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের প্রাণহানি নিশ্চিত করা হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৭৬ জন। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শনিবার (২৯ নভেম্বর) দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে—এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানায়, প্রবল বর্ষণে ১৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং ৭৮ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। অনুরাধাপুরায় আটকে পড়া এক জার্মান পর্যটকসহ ৬৯ জনকে হেলিকপ্টার ও নৌযানের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়েছে।

দেশের প্রায় এক–তৃতীয়াংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বদুল্লাসহ মধ্যাঞ্চলের বহু জায়গায় রাস্তা-ঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ত্রাণ পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইছে শ্রীলঙ্কা। আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রথম ত্রাণসহায়তা পাঠিয়েছে প্রতিবেশী ভারত। প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

২০১৭ সালের পর এই দুর্যোগটিকেই শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে মনে করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টি দেশটি অতিক্রম করে এখন ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।