ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মরক্কোর ফেজ নগরীতে জোড়া ভবন ধস, নিহত অন্তত ১৯

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে

 

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর ফেজ নগরীতে জোড়া ভবন ধসে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও ১৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ভোরের দিকে ভবন ধসে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

ফেজ নগরীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, পাশাপাশি থাকা চারতলা দুটি ভবন রাতের কোনও এক সময়ে ধসে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলেছে, ভবন দুটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবন দুটি ফেজের আল-মুস্তাকবাল এলাকায় অবস্থিত। দুই ভবনে আটটি পরিবার বসবাস করতো। ভবন ধসের খবর পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা এবং বেসামরিক সুরক্ষা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এসএনআরটি বলেছে, ‌‌‘ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে ধসে পড়া ভবন দুটিতে বহুদিন ধরে ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবন ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন প্রতিরোধমূলক কার্যকর কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’

তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভবন ধসের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে। এছাড়া দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পথের শেষ কাঁটাও সরে গেল, বহু নাটকের পর মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন থালাপতি বিজয়

মরক্কোর ফেজ নগরীতে জোড়া ভবন ধস, নিহত অন্তত ১৯

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর ফেজ নগরীতে জোড়া ভবন ধসে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও ১৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ভোরের দিকে ভবন ধসে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

ফেজ নগরীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, পাশাপাশি থাকা চারতলা দুটি ভবন রাতের কোনও এক সময়ে ধসে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলেছে, ভবন দুটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবন দুটি ফেজের আল-মুস্তাকবাল এলাকায় অবস্থিত। দুই ভবনে আটটি পরিবার বসবাস করতো। ভবন ধসের খবর পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা এবং বেসামরিক সুরক্ষা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এসএনআরটি বলেছে, ‌‌‘ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে ধসে পড়া ভবন দুটিতে বহুদিন ধরে ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবন ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন প্রতিরোধমূলক কার্যকর কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’

তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভবন ধসের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে। এছাড়া দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।