ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন সংকটে ইসরাইল সেনাবাহিনীতে পদত্যাগের হিড়িক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৪ বার পড়া হয়েছে

নতুন সংকটের মুখে দখলদার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) তীব্র চাপের মুখোমুখি। আর্থিক অসন্তোষের কারণে প্রায় ৬০০ অফিসার ও নন-কমিশন্ড অফিসার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ‘চিফ অব স্টাফ ইনক্রিজেস’ স্থগিত করার পর পদত্যাগের এই ঢেউ দেখা দেয়।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইসরায়েল হায়োমের বরাত দিয়ে লেবাননভিত্তিক আল মায়াদিন জানিয়েছে, পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া অধিকাংশ অফিসারের বয়স ৪২ বছরের বেশি। তারা মাসের শেষের আগেই বাহিনী ছাড়ার চেষ্টা করছেন, কারণ ওই সময় থেকে আর্থিক সুবিধা কার্যকরভাবে স্থগিত হবে।

ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণে জরুরি বৈঠক ডাকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গাজার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেনারা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকায় প্রথম দিকে সামরিক নেতৃত্ব এই বিতর্ক থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করেছিল। তবে আদালতের রায়ের পর পরিস্থিতি এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

সেনাদের মধ্যে আর্থিক নিরাপত্তা নড়বড়ে হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রকাশ্যেই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলছেন। যদিও তাদের জন্য অনুদান, আবাসন সহায়তা ও ফ্যামিলি সাপোর্ট প্রোগ্রামের মতো জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তবুও পদত্যাগ ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছেন কর্মকর্তারা।

পদত্যাগের ঝুঁকি তীব্র হওয়ায় সতর্কবার্তা দিয়েছে সামরিক কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, এই সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে মধ্য ও উচ্চপদস্থ অফিসারদের মধ্যে পদত্যাগের হার আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। উল্লেখ্য, ‘চিফ অব স্টাফ ইনক্রিজেস’-এর মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সেনারা প্রতি মাসে ২,৫০০ শেকেল অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা পেতেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমি হাতজোড় করে বলছি, ভোটটা রক্ষা করবেন: রুমিন ফারহানা

নতুন সংকটে ইসরাইল সেনাবাহিনীতে পদত্যাগের হিড়িক

আপডেট সময় ১০:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

নতুন সংকটের মুখে দখলদার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) তীব্র চাপের মুখোমুখি। আর্থিক অসন্তোষের কারণে প্রায় ৬০০ অফিসার ও নন-কমিশন্ড অফিসার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ‘চিফ অব স্টাফ ইনক্রিজেস’ স্থগিত করার পর পদত্যাগের এই ঢেউ দেখা দেয়।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইসরায়েল হায়োমের বরাত দিয়ে লেবাননভিত্তিক আল মায়াদিন জানিয়েছে, পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া অধিকাংশ অফিসারের বয়স ৪২ বছরের বেশি। তারা মাসের শেষের আগেই বাহিনী ছাড়ার চেষ্টা করছেন, কারণ ওই সময় থেকে আর্থিক সুবিধা কার্যকরভাবে স্থগিত হবে।

ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণে জরুরি বৈঠক ডাকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গাজার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেনারা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকায় প্রথম দিকে সামরিক নেতৃত্ব এই বিতর্ক থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করেছিল। তবে আদালতের রায়ের পর পরিস্থিতি এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

সেনাদের মধ্যে আর্থিক নিরাপত্তা নড়বড়ে হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রকাশ্যেই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলছেন। যদিও তাদের জন্য অনুদান, আবাসন সহায়তা ও ফ্যামিলি সাপোর্ট প্রোগ্রামের মতো জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তবুও পদত্যাগ ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছেন কর্মকর্তারা।

পদত্যাগের ঝুঁকি তীব্র হওয়ায় সতর্কবার্তা দিয়েছে সামরিক কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, এই সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে মধ্য ও উচ্চপদস্থ অফিসারদের মধ্যে পদত্যাগের হার আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। উল্লেখ্য, ‘চিফ অব স্টাফ ইনক্রিজেস’-এর মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সেনারা প্রতি মাসে ২,৫০০ শেকেল অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা পেতেন।