ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদকবিরোধী বিজ্ঞাপন সরানো নিয়ে প্রশ্ন, হাদী হত্যা মামলার প্রেক্ষাপটে রহস্য

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৪ বার পড়া হয়েছে

ফয়সালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদকবিরোধী বিজ্ঞাপনে অভিনয় করাকে কেন্দ্র করে যতটা না বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার চেয়েও বেশি প্রশ্ন উঠেছে—বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরপরই কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ভিডিওগুলো হঠাৎ করে সরিয়ে ফেলা নিয়ে। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা নতুন করে সন্দেহ ও কৌতূহল তৈরি করেছে।

একই সঙ্গে আলোচনায় এসেছে হাদীর শ্যুটারের সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগের বিষয়টি। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট শ্যুটার পূর্বে একটি অস্ত্র মামলায় আটক হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পান। এরপর হাদী শহীদ হওয়ার ঘটনা ঘটে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে বিচারের জোরালো দাবি না ওঠা এবং রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলোর আশ্চর্যজনক নীরবতা—সব মিলিয়ে অনেকের কাছে ঘটনাগুলো যেন একসূত্রে গাঁথা বলে মনে হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনায় সরাসরি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। ভিডিও অপসারণের কারণ কী, কার নির্দেশে তা করা হয়েছে, হাদী হত্যার আসামিদের সঙ্গে পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর কোনো যোগসূত্র আছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর না মিললে জনমনে বিভ্রান্তি ও অবিশ্বাস আরও বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ১১ কিশোর

মাদকবিরোধী বিজ্ঞাপন সরানো নিয়ে প্রশ্ন, হাদী হত্যা মামলার প্রেক্ষাপটে রহস্য

আপডেট সময় ০৩:০৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ফয়সালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদকবিরোধী বিজ্ঞাপনে অভিনয় করাকে কেন্দ্র করে যতটা না বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার চেয়েও বেশি প্রশ্ন উঠেছে—বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরপরই কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ভিডিওগুলো হঠাৎ করে সরিয়ে ফেলা নিয়ে। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা নতুন করে সন্দেহ ও কৌতূহল তৈরি করেছে।

একই সঙ্গে আলোচনায় এসেছে হাদীর শ্যুটারের সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগের বিষয়টি। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট শ্যুটার পূর্বে একটি অস্ত্র মামলায় আটক হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পান। এরপর হাদী শহীদ হওয়ার ঘটনা ঘটে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে বিচারের জোরালো দাবি না ওঠা এবং রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলোর আশ্চর্যজনক নীরবতা—সব মিলিয়ে অনেকের কাছে ঘটনাগুলো যেন একসূত্রে গাঁথা বলে মনে হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনায় সরাসরি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। ভিডিও অপসারণের কারণ কী, কার নির্দেশে তা করা হয়েছে, হাদী হত্যার আসামিদের সঙ্গে পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর কোনো যোগসূত্র আছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর না মিললে জনমনে বিভ্রান্তি ও অবিশ্বাস আরও বাড়বে।