ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে ‘অনুমতি ছাড়া’ নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের উত্তর প্রদশের বেরেলি জেলার একটি গ্রামে ‘অনুমতি ছাড়া’ খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। কথিতভাবে ওই বাড়ির ভেতরে নামাজ পড়ার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান তারা। খবর এনডিটিভি’র।

এসপি (দক্ষিণ) অংশিকা ভার্মা বলেন, মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর পুলিশ ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ নেয়। অভিযোগ ছিল, একটি খালি বাড়িতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থায়ীভাবে মাদরাসা চালানো হচ্ছিল।

সাধারণ মানুষকে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, অনুমতি ছাড়া কোনো নতুন ধর্মীয় কার্যকলাপ বা সমাবেশ আইন লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে। এ ধরনের কাজ পুনরায় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ জানায়, আটক ১২ জনকে ‘শান্তিভঙ্গ সংক্রান্ত ধারায়’ চালান করা হয় এবং পরে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে তারা জামিনে মুক্তি পান। আরও তিনজন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে, তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলেও জানায় পুলিশ।

পুলিশের মতে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে খালি বাড়িটি হানিফ নামে একজনের এবং এটি অস্থায়ীভাবে শুক্রবারের নামাজের (জুমার নামাজ) জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। পুলিশের ভাষ্য, কিছু গ্রামবাসী অনুমতি ছাড়া ওই বাড়িতে নিয়মিত নামাজ পড়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ‘জমায়েত’ বন্ধ করে দেয়। এদিকে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিকেও তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলেও জানান কর্মকর্তারা। সূত্র: এনডিটিভি

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরে নয়, নেতৃত্বেও থাকবেন: জামায়াত আমির

ভারতে ‘অনুমতি ছাড়া’ নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২

আপডেট সময় ১১:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ভারতের উত্তর প্রদশের বেরেলি জেলার একটি গ্রামে ‘অনুমতি ছাড়া’ খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। কথিতভাবে ওই বাড়ির ভেতরে নামাজ পড়ার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান তারা। খবর এনডিটিভি’র।

এসপি (দক্ষিণ) অংশিকা ভার্মা বলেন, মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর পুলিশ ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ নেয়। অভিযোগ ছিল, একটি খালি বাড়িতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থায়ীভাবে মাদরাসা চালানো হচ্ছিল।

সাধারণ মানুষকে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, অনুমতি ছাড়া কোনো নতুন ধর্মীয় কার্যকলাপ বা সমাবেশ আইন লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে। এ ধরনের কাজ পুনরায় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ জানায়, আটক ১২ জনকে ‘শান্তিভঙ্গ সংক্রান্ত ধারায়’ চালান করা হয় এবং পরে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে তারা জামিনে মুক্তি পান। আরও তিনজন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে, তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলেও জানায় পুলিশ।

পুলিশের মতে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে খালি বাড়িটি হানিফ নামে একজনের এবং এটি অস্থায়ীভাবে শুক্রবারের নামাজের (জুমার নামাজ) জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। পুলিশের ভাষ্য, কিছু গ্রামবাসী অনুমতি ছাড়া ওই বাড়িতে নিয়মিত নামাজ পড়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ‘জমায়েত’ বন্ধ করে দেয়। এদিকে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিকেও তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলেও জানান কর্মকর্তারা। সূত্র: এনডিটিভি