ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাথর ভেবে বোমার উপর ধোয়া হচ্ছিল কাপড়! 

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:১৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে

এবার পাথর ভেবে বোমার উপর কাপড় ধোয়ায় ব্যস্ত স্থানীয়রা। পরে বোমা সদৃশ এই বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ। কক্সবাজারের রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী (৮নং ওয়ার্ড) এলাকায় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সম্ভাব্য বস্তুটি সংরক্ষণ করে।

আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে বস্তুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহার হওয়া অবিস্ফোরিত কিংবা অকার্যকর বোমা বলে মনে করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বোমাটির সংরক্ষণ স্থান নজরদারিতে রয়েছে, সেনাবাহিনীকে অবহিত করা হলে তারা পরিদর্শনে এসেছেন। বোমাটির কার্যকরিতা ও এর মধ্যে বিস্ফোরক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়ছেন ১০ বছর আগে ওই এলাকায় একটি পুকুরে সেটি পাওয়া যায় এবং পুকুরের পাশে পাথর ভেবে কাপড় ধোঁয়ার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছিল। রামুর ইতিহাস গবেষক ও আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া বলেন, বস্তুটির আকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা এবং সেসময়ে এই অঞ্চলে জাপানিরা যুদ্ধকালীন এমন বোমা ব্যবহার করেছে। যদি এর মধ্যে বিস্ফোরক থাকে তাহলে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিষ্ক্রিয় করতে হবে এবং না থাকলে সংরক্ষণ করা উচিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে। কারণ এটি রামুর ইতিহাসের অংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

সমাবেশে বক্তব্য দেওয়া নারী অপরিচিত নন, তিনি শহীদ হাদির ফুফাতো বোন: ডা. মিতু

পাথর ভেবে বোমার উপর ধোয়া হচ্ছিল কাপড়! 

আপডেট সময় ০২:১৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

এবার পাথর ভেবে বোমার উপর কাপড় ধোয়ায় ব্যস্ত স্থানীয়রা। পরে বোমা সদৃশ এই বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ। কক্সবাজারের রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী (৮নং ওয়ার্ড) এলাকায় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সম্ভাব্য বস্তুটি সংরক্ষণ করে।

আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে বস্তুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহার হওয়া অবিস্ফোরিত কিংবা অকার্যকর বোমা বলে মনে করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বোমাটির সংরক্ষণ স্থান নজরদারিতে রয়েছে, সেনাবাহিনীকে অবহিত করা হলে তারা পরিদর্শনে এসেছেন। বোমাটির কার্যকরিতা ও এর মধ্যে বিস্ফোরক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়ছেন ১০ বছর আগে ওই এলাকায় একটি পুকুরে সেটি পাওয়া যায় এবং পুকুরের পাশে পাথর ভেবে কাপড় ধোঁয়ার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছিল। রামুর ইতিহাস গবেষক ও আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া বলেন, বস্তুটির আকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা এবং সেসময়ে এই অঞ্চলে জাপানিরা যুদ্ধকালীন এমন বোমা ব্যবহার করেছে। যদি এর মধ্যে বিস্ফোরক থাকে তাহলে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিষ্ক্রিয় করতে হবে এবং না থাকলে সংরক্ষণ করা উচিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে। কারণ এটি রামুর ইতিহাসের অংশ।