ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড় মেয়েকে ‘শেষ বার্তা’ পাঠিয়ে জীবন দিলেন পুলিশ সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:০২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে শফিকুল ইসলাম (৪২) নামে এক কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার মৌটুপী গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মান্নান মল্লিকের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ী ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি পুলিশ সার্ভিসে যোগ দেন শফিকুল ইসলাম।

পুলিশের ধারণা, হাতাশা থেকেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি। আত্মহত্যার আগে রাত ৩টা ২৫ মিনিটে বড় মেয়েকে মোবাইলে ম্যাসেজ করে শফিকুল লিখেন, ‘আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলাম না। আমাকে ক্ষমা করে দিও। জুনায়েদ ও জিহাদকে দেখে রেখো।’ এরপর মেয়ে ফোন দিলে আর রিসিভ করেননি।

শফিকুল ইসলামের সম্বন্ধী (স্ত্রীর বড় ভাই) আব্দুল হান্নান জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি মানসিক ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল জানান, ফাঁড়ির ওয়াশরুমে তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

বড় মেয়েকে ‘শেষ বার্তা’ পাঠিয়ে জীবন দিলেন পুলিশ সদস্য

আপডেট সময় ০৪:০২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে শফিকুল ইসলাম (৪২) নামে এক কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার মৌটুপী গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মান্নান মল্লিকের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ী ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি পুলিশ সার্ভিসে যোগ দেন শফিকুল ইসলাম।

পুলিশের ধারণা, হাতাশা থেকেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি। আত্মহত্যার আগে রাত ৩টা ২৫ মিনিটে বড় মেয়েকে মোবাইলে ম্যাসেজ করে শফিকুল লিখেন, ‘আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলাম না। আমাকে ক্ষমা করে দিও। জুনায়েদ ও জিহাদকে দেখে রেখো।’ এরপর মেয়ে ফোন দিলে আর রিসিভ করেননি।

শফিকুল ইসলামের সম্বন্ধী (স্ত্রীর বড় ভাই) আব্দুল হান্নান জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি মানসিক ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল জানান, ফাঁড়ির ওয়াশরুমে তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।