ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারও বেপরোয়া ছিনতাইকারী-চাঁদাবাজ-কিশোর গ্যাং চক্র, প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বসিলা, আদাবর ও বেড়িবাঁধ এলাকায় আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাং চক্র। শনিবার রাতে ঈদের চাঁদার দাবিতে আদাবরের আবির ফ্যাশন নামের একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলার ঘটনা ঘটে। আহত হয় অন্তত তিনজন। এর প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় এমব্রয়ডারি মালিক ও শ্রমিকরা। এরইমধ্যে এ ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত কালা রাসেলসহ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুরের বসিলার তিন রাস্তার মোড়ের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায়, দিনে দুপুরে ছিনতাইয়ের কবলে পথচারী। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে কিশোর গ্যাং সদস্যরা। আহত পথচারী কোন রকমে দৌড়ে প্রাণ রক্ষা করেন। অভিযোগ এলাকার ত্রাস হয়ে ওঠা কিলার বাদল গ্রুপের বিরুদ্ধে। একই দিন, একই এলাকা। চাঁদা না দিলে গোটা মার্কেটের সব দোকান বন্ধ করে দেয়ার হুমকি স্পষ্টই রেকর্ড হয় দোকানের সিসি ক্যামেরায়। এখানেও কিলার বাদল গ্রুপের নাম। এভাবেই কিলার বাদল, মোল্লা কাউসার, গ্রেজ সোহেল, কালা ফারুক, বাত রাসেলসহ নানা গ্যাং এর নামে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে অতিষ্ট মোহাম্মদপুর, আদাবর, ঢাকা উদ্যান, বসিলা সিটি হাউজিংসহ আশেপাশের এলাকার মানুষ। 

সবশেষ শনিবার রাতে আদাবর এলাকায় কালা রাসেল গ্রুপের সদস্যরা ঈদ উপলক্ষ্যে চাঁদা দাবি করে অ্যামব্রয়ডারি ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের কারখানায়। চাঁদা না পেয়ে কিশোরগ্যাং সদস্যরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে কর্মচারীদের উপর। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। উৎপাতে অতিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা কালা রাসেলের বাবাকে আটক করে। পরে তারা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও নিজেদের নিরাপত্তার দাবিতে জড়ো হয় আদাবর থানার সামনে। এতে থানার সামনের সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সোনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

এই ঘটনায় মামলা হয়েছে।পুলিশ জানায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের দমনে টহল ও বিভিন্ন পয়েন্টে পাহারা জোরদার করা হয়েছে।  মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রত্যেক এলাকায় আমাদের মোবাইল পেট্রোল টিম থাকে। যেকোনো ঘটনা ঘটার সাথে সাথে আমাদের জানালে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিতে পারবো। ঈদকে সামনে রেখে পুলিশি নজরদারি আরো বাড়ানো হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা। 

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

আবারও বেপরোয়া ছিনতাইকারী-চাঁদাবাজ-কিশোর গ্যাং চক্র, প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও

আপডেট সময় ১১:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর বসিলা, আদাবর ও বেড়িবাঁধ এলাকায় আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাং চক্র। শনিবার রাতে ঈদের চাঁদার দাবিতে আদাবরের আবির ফ্যাশন নামের একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলার ঘটনা ঘটে। আহত হয় অন্তত তিনজন। এর প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় এমব্রয়ডারি মালিক ও শ্রমিকরা। এরইমধ্যে এ ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত কালা রাসেলসহ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুরের বসিলার তিন রাস্তার মোড়ের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায়, দিনে দুপুরে ছিনতাইয়ের কবলে পথচারী। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে কিশোর গ্যাং সদস্যরা। আহত পথচারী কোন রকমে দৌড়ে প্রাণ রক্ষা করেন। অভিযোগ এলাকার ত্রাস হয়ে ওঠা কিলার বাদল গ্রুপের বিরুদ্ধে। একই দিন, একই এলাকা। চাঁদা না দিলে গোটা মার্কেটের সব দোকান বন্ধ করে দেয়ার হুমকি স্পষ্টই রেকর্ড হয় দোকানের সিসি ক্যামেরায়। এখানেও কিলার বাদল গ্রুপের নাম। এভাবেই কিলার বাদল, মোল্লা কাউসার, গ্রেজ সোহেল, কালা ফারুক, বাত রাসেলসহ নানা গ্যাং এর নামে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে অতিষ্ট মোহাম্মদপুর, আদাবর, ঢাকা উদ্যান, বসিলা সিটি হাউজিংসহ আশেপাশের এলাকার মানুষ। 

সবশেষ শনিবার রাতে আদাবর এলাকায় কালা রাসেল গ্রুপের সদস্যরা ঈদ উপলক্ষ্যে চাঁদা দাবি করে অ্যামব্রয়ডারি ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের কারখানায়। চাঁদা না পেয়ে কিশোরগ্যাং সদস্যরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে কর্মচারীদের উপর। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। উৎপাতে অতিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা কালা রাসেলের বাবাকে আটক করে। পরে তারা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও নিজেদের নিরাপত্তার দাবিতে জড়ো হয় আদাবর থানার সামনে। এতে থানার সামনের সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সোনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

এই ঘটনায় মামলা হয়েছে।পুলিশ জানায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের দমনে টহল ও বিভিন্ন পয়েন্টে পাহারা জোরদার করা হয়েছে।  মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রত্যেক এলাকায় আমাদের মোবাইল পেট্রোল টিম থাকে। যেকোনো ঘটনা ঘটার সাথে সাথে আমাদের জানালে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিতে পারবো। ঈদকে সামনে রেখে পুলিশি নজরদারি আরো বাড়ানো হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।