ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকার পতনের মুখে ইসরায়েলের নেতানিয়াহু, আজ নেসেটে ভাঙনের প্রাথমিক ভোট

যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার ভেঙে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে। আজ বুধবার (১১ জুন) ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে সরকার ভেঙে দেওয়ার প্রাথমিক ভোটাভুটি হতে পারে।

নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে থাকা কিছু অতি-গোঁড়া ইহুদি ধর্মভিত্তিক দল সম্প্রতি বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ ইস্যুতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে অতি-গোঁড়া ইহুদি সেমিনারি শিক্ষার্থীদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের বিরোধিতায় তারা বিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পক্ষে ভোট দিতে পারে।

এই ইস্যুতে ইসরায়েলে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চললেও গাজায় চলমান যুদ্ধে সেনাবাহিনীর সদস্য সংকট এবং ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের সামরিক দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতা নতুন করে বিতর্কে আগুন জ্বালিয়েছে। বিষয়টি সমাধানে ব্যর্থ হওয়ায় নেতানিয়াহুর সরকার এখন সংকটে।

ইসরায়েলি লেবার পার্টির নেত্রী মিরাভ মিখাইলি বলেন, “এই সরকারের পতন এখন সবচেয়ে জরুরি হয়ে পড়েছে। গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করা, জিম্মিদের ফেরত আনা এবং ইসরায়েলকে পুনর্গঠন করা প্রয়োজন।”

নেতানিয়াহু সরকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আজকের ভোটে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত পাস হলে পরবর্তী তিনটি ধাপ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে নেসেট ভেঙে যাবে এবং দেশটিতে আগাম নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশপ্রেমিক হওয়ার কারণে কি আমার স্বামীকে হত্যা করা হলো?: র‌্যাব কর্মকর্তা মোতালেবের স্ত্রীর প্রশ্ন

সরকার পতনের মুখে ইসরায়েলের নেতানিয়াহু, আজ নেসেটে ভাঙনের প্রাথমিক ভোট

আপডেট সময় ০৭:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার ভেঙে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে। আজ বুধবার (১১ জুন) ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে সরকার ভেঙে দেওয়ার প্রাথমিক ভোটাভুটি হতে পারে।

নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে থাকা কিছু অতি-গোঁড়া ইহুদি ধর্মভিত্তিক দল সম্প্রতি বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ ইস্যুতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে অতি-গোঁড়া ইহুদি সেমিনারি শিক্ষার্থীদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের বিরোধিতায় তারা বিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পক্ষে ভোট দিতে পারে।

এই ইস্যুতে ইসরায়েলে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চললেও গাজায় চলমান যুদ্ধে সেনাবাহিনীর সদস্য সংকট এবং ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের সামরিক দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতা নতুন করে বিতর্কে আগুন জ্বালিয়েছে। বিষয়টি সমাধানে ব্যর্থ হওয়ায় নেতানিয়াহুর সরকার এখন সংকটে।

ইসরায়েলি লেবার পার্টির নেত্রী মিরাভ মিখাইলি বলেন, “এই সরকারের পতন এখন সবচেয়ে জরুরি হয়ে পড়েছে। গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করা, জিম্মিদের ফেরত আনা এবং ইসরায়েলকে পুনর্গঠন করা প্রয়োজন।”

নেতানিয়াহু সরকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আজকের ভোটে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত পাস হলে পরবর্তী তিনটি ধাপ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে নেসেট ভেঙে যাবে এবং দেশটিতে আগাম নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

সূত্র: রয়টার্স