আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন তিনি। প্রায় দুই বছর হলো দেশে ফিরতে পারেননি সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। এছাড়া সাকিবের নামে হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলা আছে। দেশে এসে মামলাগুলো মোকাবিলা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সাকিব। তবে শুধুমাত্র হয়রানি না করার নিশ্চয়তা পেতে চান সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে মামলাগুলি প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, “আমার যেসব মামলা, দেশে এসে কিছু করার আছে বলে মনে হয় না। হ্যাঁ, দুদকের মামলায় জামিন নিতে পারি। কিন্তু দুদকের এরকম মামলা তো দেশে হাজার হাজার মানুষের আছে এবং তারা দেশে খুব ভালোভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ব্যবসা করছে, সবই করছে।”
দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার হওয়ার শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। তিনি বলেন, “এখন তো আর কোনো কিছু অস্বাভাবিক মনে হয় না! যদিও আমি আশাবাদী যে ওরকম করা হবে না। যতক্ষণ না আমার দোষ প্রমাণিত হচ্ছে, সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক কিছুই আমি ভাবতাম এক রকম, হচ্ছে আরেক রকম! কিছুই তাই বলা যায় না।”
হয়রানি না করার নিশ্চয়তা পেলে পরশুই দেশে ফিরবেন জানিয়ে সাকিব বলেন, “আমি দেশে ফিরবো, কোর্টে যাবো, মামলা লড়বো। কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আমার নিরাপত্তা তো দিতে হবে! এতটুক তো আশা করতেই পারি। আমি বলছি না যে, নিরাপত্তা মানে আমার জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে বা পুলিশের চারটা গাড়ি সামনে থাকবে। ওরকম তো চাচ্ছি না। তবে একটা স্বাভাবিক নিরাপত্তা তো আছে, আইনী প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত হয়রানি করবে না। ব্যাস, এতটুকুই আশা করি। সাধারণ নাগরিক হিসেবেই তো এটুকু আশা করতে পারি। হয়রানি না করার নিশ্চয়তা যদি কালকে দেওয়া হয়, পরশুই দেশে যাবো আমি।”
























