ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে ১ টিকিটের দাম ২৪ কোটি টাকা, ‘যুক্তিসঙ্গত’ বললেন ফিফা সভাপতি

আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে বড় বিতর্ক শুরু হয়েছে। গেল সপ্তাহে জানা গেছে ১ টিকিটের দাম উঠেছে ২৪ কোটি টাকা! তবু ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো মঙ্গলবার এই দামের পক্ষে সাফাই দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমেরিকায় যে আইনে টিকিট চড়া দামে বিক্রি করা যায়, সেই সুযোগ কাজে লাগানো ফিফার জন্য জরুরি ছিল। বেভার্লি হিলসে মিলকেন ইনস্টিটিউট গ্লোবাল কনফারেন্সে বলতে গিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, ‘কেউ যদি ফাইনালের টিকিট ২০ লাখ ডলারে রিসেল মার্কেটে দেয়, তার মানে এই নয় যে টিকিটের দাম ২০ লাখ ডলার।

তিনি আরও বলেন, ‘আর এর মানে এটাও নয় যে কেউ সেই দামে কিনবে। কেউ যদি ফাইনালের টিকিট ২০ লাখ ডলারে কেনে, আমি নিজে তার কাছে হট ডগ আর কোক নিয়ে যাব, যাতে সে ভালো অভিজ্ঞতা পায়।ফ্যান সংগঠন ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ (এফএসই) ফিফার এই দামকেঅতিরিক্তবিশাল বিশ্বাসঘাতকতাবলে আখ্যা দিয়েছে। চলতি বছরের মার্চেই ইউরোপিয়ান কমিশনে ফিফার বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংগঠনটি।

এদিকে ফিফার নিজস্ব রিসেল ওয়েবসাইট ফিফা মার্কেটপ্লেসে গত সপ্তাহে ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের ফাইনালের চারটি টিকিট প্রতিটি ২০ লাখ ডলারেরও বেশি দামে বিক্রির জন্য তোলা হয়, যা বাংলাদেশি অর্থে প্রায় সাড়ে ২৪ কোটি টাকা। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের সবচেয়ে দামি টিকিটের মূল দাম ছিল প্রায় ১,৬০০ ডলার। আর ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের সবচেয়ে দামি টিকিটের মূল দাম প্রায় ১১,০০০ ডলার। এই পার্থক্য নিয়েই ভক্তদের ক্ষোভ।

তবে ইনফান্তিনো দামের যৌক্তিকতা নিয়ে নিঃসন্দেহ ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাজার দেখতে হবে। আমরা এমন একটি বাজারে আছি যেখানে বিনোদন শিল্প সবচেয়ে উন্নত। তাই বাজারের দামই ধরতে হবে।তিনি আরও বলেন, ‘আমেরিকায় টিকিট রিসেল করা বৈধ। তাই যদি আমরা কম দামে টিকিট দিই, সেগুলো আরও বেশি দামে বিক্রি হবে। আসলে এখনই অনেকে বলছেন আমাদের দাম বেশি, অথচ সেই টিকিট রিসেল মার্কেটে আমাদের দামের দ্বিগুণেরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ইনফান্তিনো জানান, ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ৫০ কোটিরও বেশি টিকিটের আবেদন এসেছে। অথচ ২০১৮ ও ২০২২, দুটি বিশ্বকাপ মিলে আবেদন এসেছিল ৫ কোটিরও কম। গ্রুপ পর্বের ২৫ শতাংশ টিকিটের দাম ৩০০ ডলারের নিচে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইনফান্তিনো বলেন, ‘আমেরিকায় কলেজের একটি খেলা দেখতেও ৩০০ ডলারের কমে যাওয়া যায় না। আর এটা তো বিশ্বকাপ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ ‘অবৈধ’: চীন

বিশ্বকাপে ১ টিকিটের দাম ২৪ কোটি টাকা, ‘যুক্তিসঙ্গত’ বললেন ফিফা সভাপতি

আপডেট সময় ১১:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে বড় বিতর্ক শুরু হয়েছে। গেল সপ্তাহে জানা গেছে ১ টিকিটের দাম উঠেছে ২৪ কোটি টাকা! তবু ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো মঙ্গলবার এই দামের পক্ষে সাফাই দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমেরিকায় যে আইনে টিকিট চড়া দামে বিক্রি করা যায়, সেই সুযোগ কাজে লাগানো ফিফার জন্য জরুরি ছিল। বেভার্লি হিলসে মিলকেন ইনস্টিটিউট গ্লোবাল কনফারেন্সে বলতে গিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, ‘কেউ যদি ফাইনালের টিকিট ২০ লাখ ডলারে রিসেল মার্কেটে দেয়, তার মানে এই নয় যে টিকিটের দাম ২০ লাখ ডলার।

তিনি আরও বলেন, ‘আর এর মানে এটাও নয় যে কেউ সেই দামে কিনবে। কেউ যদি ফাইনালের টিকিট ২০ লাখ ডলারে কেনে, আমি নিজে তার কাছে হট ডগ আর কোক নিয়ে যাব, যাতে সে ভালো অভিজ্ঞতা পায়।ফ্যান সংগঠন ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ (এফএসই) ফিফার এই দামকেঅতিরিক্তবিশাল বিশ্বাসঘাতকতাবলে আখ্যা দিয়েছে। চলতি বছরের মার্চেই ইউরোপিয়ান কমিশনে ফিফার বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংগঠনটি।

এদিকে ফিফার নিজস্ব রিসেল ওয়েবসাইট ফিফা মার্কেটপ্লেসে গত সপ্তাহে ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের ফাইনালের চারটি টিকিট প্রতিটি ২০ লাখ ডলারেরও বেশি দামে বিক্রির জন্য তোলা হয়, যা বাংলাদেশি অর্থে প্রায় সাড়ে ২৪ কোটি টাকা। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের সবচেয়ে দামি টিকিটের মূল দাম ছিল প্রায় ১,৬০০ ডলার। আর ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের সবচেয়ে দামি টিকিটের মূল দাম প্রায় ১১,০০০ ডলার। এই পার্থক্য নিয়েই ভক্তদের ক্ষোভ।

তবে ইনফান্তিনো দামের যৌক্তিকতা নিয়ে নিঃসন্দেহ ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাজার দেখতে হবে। আমরা এমন একটি বাজারে আছি যেখানে বিনোদন শিল্প সবচেয়ে উন্নত। তাই বাজারের দামই ধরতে হবে।তিনি আরও বলেন, ‘আমেরিকায় টিকিট রিসেল করা বৈধ। তাই যদি আমরা কম দামে টিকিট দিই, সেগুলো আরও বেশি দামে বিক্রি হবে। আসলে এখনই অনেকে বলছেন আমাদের দাম বেশি, অথচ সেই টিকিট রিসেল মার্কেটে আমাদের দামের দ্বিগুণেরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ইনফান্তিনো জানান, ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ৫০ কোটিরও বেশি টিকিটের আবেদন এসেছে। অথচ ২০১৮ ও ২০২২, দুটি বিশ্বকাপ মিলে আবেদন এসেছিল ৫ কোটিরও কম। গ্রুপ পর্বের ২৫ শতাংশ টিকিটের দাম ৩০০ ডলারের নিচে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইনফান্তিনো বলেন, ‘আমেরিকায় কলেজের একটি খেলা দেখতেও ৩০০ ডলারের কমে যাওয়া যায় না। আর এটা তো বিশ্বকাপ।