ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে হামলার জেরে বিশ্বব্যাপী সব দূতাবাস বন্ধ করলো ইসরায়েল

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৭:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ৫৯৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার পর উদ্ভূত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে সব কূটনৈতিক মিশন ও দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।

শুক্রবার (১৩ জুন) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিদেশে অবস্থানরত সব দূতাবাস সাময়িকভাবে কার্যক্রম স্থগিত করেছে এবং কনস্যুলার সেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি ইহুদি বা ইসরায়েলি প্রতীক প্রকাশ্যে প্রদর্শন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তবে এই বন্ধ কতদিন স্থায়ী হবে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেলআবিব। এছাড়া ইসরায়েলের কূটনীতিকদের নিরাপত্তা ও দূতাবাসে হামলার ঝুঁকিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশপ্রেমিক হওয়ার কারণে কি আমার স্বামীকে হত্যা করা হলো?: র‌্যাব কর্মকর্তা মোতালেবের স্ত্রীর প্রশ্ন

ইরানে হামলার জেরে বিশ্বব্যাপী সব দূতাবাস বন্ধ করলো ইসরায়েল

আপডেট সময় ০৭:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার পর উদ্ভূত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে সব কূটনৈতিক মিশন ও দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।

শুক্রবার (১৩ জুন) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিদেশে অবস্থানরত সব দূতাবাস সাময়িকভাবে কার্যক্রম স্থগিত করেছে এবং কনস্যুলার সেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি ইহুদি বা ইসরায়েলি প্রতীক প্রকাশ্যে প্রদর্শন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তবে এই বন্ধ কতদিন স্থায়ী হবে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেলআবিব। এছাড়া ইসরায়েলের কূটনীতিকদের নিরাপত্তা ও দূতাবাসে হামলার ঝুঁকিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় এসেছে।