ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতার গুদামে সরকারি চাল উদ্ধার: তদন্তে দুর্নীতির অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০১:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • ৯৩৬ বার পড়া হয়েছে

জব্দকৃত সরকারি চালের বস্তা

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় বিএনপির এক নেতার মালিকানাধীন গুদাম থেকে ১০৪ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উদ্ধারকৃত চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র জনগণের জন্য বরাদ্দ ছিল।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত চালের বস্তাগুলোর গায়ে সরকারি সিলমোহর ও খাদ্য অধিদপ্তরের লোগো ছিল, যা প্রমাণ করে যে এগুলো সরকারি বরাদ্দের অংশ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি সরকারি চাল অবৈধভাবে সংগ্রহ করে ব্যক্তিগত গুদামে মজুত করেছিলেন। নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, “সরকারি চালের অপব্যবহার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, “দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত চাল এভাবে আত্মসাৎ করা অমানবিক ও নিন্দনীয়।”

উল্লেখ্য, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সরকার প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল দরিদ্র জনগণের মাঝে বিতরণ করে থাকে। এই চাল অবৈধভাবে মজুত ও বিক্রির ঘটনা সরকারিভাবে কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের সব বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতার গুদামে সরকারি চাল উদ্ধার: তদন্তে দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় বিএনপির এক নেতার মালিকানাধীন গুদাম থেকে ১০৪ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উদ্ধারকৃত চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র জনগণের জন্য বরাদ্দ ছিল।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত চালের বস্তাগুলোর গায়ে সরকারি সিলমোহর ও খাদ্য অধিদপ্তরের লোগো ছিল, যা প্রমাণ করে যে এগুলো সরকারি বরাদ্দের অংশ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি সরকারি চাল অবৈধভাবে সংগ্রহ করে ব্যক্তিগত গুদামে মজুত করেছিলেন। নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, “সরকারি চালের অপব্যবহার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, “দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত চাল এভাবে আত্মসাৎ করা অমানবিক ও নিন্দনীয়।”

উল্লেখ্য, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সরকার প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল দরিদ্র জনগণের মাঝে বিতরণ করে থাকে। এই চাল অবৈধভাবে মজুত ও বিক্রির ঘটনা সরকারিভাবে কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে।