ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানি হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে ইসরায়েল, ভেঙে পড়ছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • ৬৪৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের টানা হামলায় ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় পড়েছে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। চারদিন ধরে টানা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করায় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক ইন্টারসেপ্টর ভাণ্ডার।

সোমবার (১৬ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান ও এর সহযোগীদের লাগাতার হামলার ফলে ইসরায়েল তিন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে জোরালোভাবে ব্যবহার করছে। এতে ব্যয়বহুল ও সীমিত সরবরাহের অ্যারো এবং ডেভিড’স স্লিং ইন্টারসেপ্টরের দ্রুত ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে শুধু ইসরায়েল নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মজুদও বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।

ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষায় রয়েছে আয়রন ডোম (ছোট পাল্লার রকেটের বিরুদ্ধে), ডেভিড’স স্লিং (ভারী রকেট ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে), এবং অ্যারো-২ ও অ্যারো-৩ (বায়ুমণ্ডলের বাইরের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে)। তবে অ্যারো ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনে দীর্ঘ সময় লাগায় এটির মজুদ দ্রুত কমে যাচ্ছে।

প্রাক্তন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ড্যান ক্যালডওয়েল বলেন, “এই ইন্টারসেপ্টরগুলো ব্যয়বহুল, আর বড় পরিসরে উৎপাদনও কঠিন। হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও ইরানের আগের হামলায় এর অনেক মজুদ খরচ হয়ে গেছে।”

১৩ জুন থেকে ইরান ইসরায়েলের দিকে কমপক্ষে ৩৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর।

এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে শিগগিরই সীমাবদ্ধতা আরোপ করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা ফখরুল-তামিমসহ ১৫ জন পাচ্ছেন খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক

ইরানি হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে ইসরায়েল, ভেঙে পড়ছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

আপডেট সময় ১১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

ইরানের টানা হামলায় ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় পড়েছে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। চারদিন ধরে টানা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করায় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক ইন্টারসেপ্টর ভাণ্ডার।

সোমবার (১৬ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান ও এর সহযোগীদের লাগাতার হামলার ফলে ইসরায়েল তিন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে জোরালোভাবে ব্যবহার করছে। এতে ব্যয়বহুল ও সীমিত সরবরাহের অ্যারো এবং ডেভিড’স স্লিং ইন্টারসেপ্টরের দ্রুত ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে শুধু ইসরায়েল নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মজুদও বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।

ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষায় রয়েছে আয়রন ডোম (ছোট পাল্লার রকেটের বিরুদ্ধে), ডেভিড’স স্লিং (ভারী রকেট ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে), এবং অ্যারো-২ ও অ্যারো-৩ (বায়ুমণ্ডলের বাইরের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে)। তবে অ্যারো ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনে দীর্ঘ সময় লাগায় এটির মজুদ দ্রুত কমে যাচ্ছে।

প্রাক্তন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ড্যান ক্যালডওয়েল বলেন, “এই ইন্টারসেপ্টরগুলো ব্যয়বহুল, আর বড় পরিসরে উৎপাদনও কঠিন। হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও ইরানের আগের হামলায় এর অনেক মজুদ খরচ হয়ে গেছে।”

১৩ জুন থেকে ইরান ইসরায়েলের দিকে কমপক্ষে ৩৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর।

এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে শিগগিরই সীমাবদ্ধতা আরোপ করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।