ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউনূসের সাক্ষাৎ অনুরোধে সাড়া দেননি স্টারমার, ‘চুরি হওয়া অর্থ’ ফেরত চায় ঢাকা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • ৬৬৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরোধ জানালেও, এখন পর্যন্ত সাড়া পাননি। শেখ হাসিনার শাসনামলে বিদেশে পাচার হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন চেয়ে তিনি এই সফরে গেছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনূস বলেন, যুক্তরাজ্যে রাখা ‘চুরি হওয়া অর্থ’ উদ্ধারে ব্রিটিশ সরকারের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। তিনি জানান, কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে তাঁর কোনো সরাসরি যোগাযোগ হয়নি, তবে আশা প্রকাশ করেন যে ব্রিটিশ সরকার শেষ পর্যন্ত সহযোগিতা করবে।

যুক্তরাজ্য সরকারের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, স্টারমারের এখন ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কোনো পরিকল্পনা নেই এবং এ বিষয়ে তাঁরা মন্তব্য করতেও রাজি হননি। ইউনূস বলেন, ব্রিটিশ সরকার ইতিমধ্যে কিছু সহায়তা করলেও, তিনি চান আরও সক্রিয় ভূমিকা।

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপরই দুর্নীতির তদন্তে যুক্তরাজ্যে চাপ বাড়তে থাকে, যা কিয়ার স্টারমারের লেবার পার্টির জন্যও বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

এই দুর্নীতির অভিযোগেই স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং সাবেক ‘সিটি মিনিস্টার’ টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগে বাধ্য হন। আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে, যদিও তিনি তা অস্বীকার করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশপ্রেমিক হওয়ার কারণে কি আমার স্বামীকে হত্যা করা হলো?: র‌্যাব কর্মকর্তা মোতালেবের স্ত্রীর প্রশ্ন

ইউনূসের সাক্ষাৎ অনুরোধে সাড়া দেননি স্টারমার, ‘চুরি হওয়া অর্থ’ ফেরত চায় ঢাকা

আপডেট সময় ০৮:৪৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরোধ জানালেও, এখন পর্যন্ত সাড়া পাননি। শেখ হাসিনার শাসনামলে বিদেশে পাচার হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন চেয়ে তিনি এই সফরে গেছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনূস বলেন, যুক্তরাজ্যে রাখা ‘চুরি হওয়া অর্থ’ উদ্ধারে ব্রিটিশ সরকারের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। তিনি জানান, কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে তাঁর কোনো সরাসরি যোগাযোগ হয়নি, তবে আশা প্রকাশ করেন যে ব্রিটিশ সরকার শেষ পর্যন্ত সহযোগিতা করবে।

যুক্তরাজ্য সরকারের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, স্টারমারের এখন ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কোনো পরিকল্পনা নেই এবং এ বিষয়ে তাঁরা মন্তব্য করতেও রাজি হননি। ইউনূস বলেন, ব্রিটিশ সরকার ইতিমধ্যে কিছু সহায়তা করলেও, তিনি চান আরও সক্রিয় ভূমিকা।

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপরই দুর্নীতির তদন্তে যুক্তরাজ্যে চাপ বাড়তে থাকে, যা কিয়ার স্টারমারের লেবার পার্টির জন্যও বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

এই দুর্নীতির অভিযোগেই স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং সাবেক ‘সিটি মিনিস্টার’ টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগে বাধ্য হন। আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে, যদিও তিনি তা অস্বীকার করেছেন।