ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে ধরা পড়েছে আরও ২৬ গাদ্দার

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • ৬১০ বার পড়া হয়েছে

ইরানে ইসরায়েলকে গোপনে সহায়তা ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা ‘হযরত ওয়ালি আছর কোর’ এই ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আটক করেছে। একইসঙ্গে তিনজনের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের অধিকাংশই নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ড, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় নাশকতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে “ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার পক্ষে বিশ্বাসঘাতকতা ও গুপ্তচরবৃত্তির” অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে, একইদিনে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির দাবি করেন, সদ্য শেষ হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলি কমান্ডোরা ইরানের ভেতরে গোপন অভিযান চালিয়েছে। তার ভাষায়,
“আমরা ইরানের আকাশসীমা ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি।”
তিনি আরও বলেন, অভিযানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তা ছিল “অসাধারণ এবং কার্যকর।”

অন্যদিকে তেহরান জানায়, ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ইরান প্রায়ই বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজের অভিযোগে নাগরিকদের আটক ও বিচারের আওতায় আনে।

সাম্প্রতিক এই অভিযান এবং পাল্টাপাল্টি ঘোষণায় বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধের সরাসরি সংঘর্ষ থেমে গেলেও ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে গোয়েন্দা লড়াই ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও তীব্র হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর বেদনাদায়কভাবে হামলা চালিয়েছে বিএনপির লোকেরা: শফিকুর রহমান

ইরানে ধরা পড়েছে আরও ২৬ গাদ্দার

আপডেট সময় ০২:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

ইরানে ইসরায়েলকে গোপনে সহায়তা ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা ‘হযরত ওয়ালি আছর কোর’ এই ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আটক করেছে। একইসঙ্গে তিনজনের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের অধিকাংশই নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ড, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় নাশকতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে “ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার পক্ষে বিশ্বাসঘাতকতা ও গুপ্তচরবৃত্তির” অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে, একইদিনে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির দাবি করেন, সদ্য শেষ হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলি কমান্ডোরা ইরানের ভেতরে গোপন অভিযান চালিয়েছে। তার ভাষায়,
“আমরা ইরানের আকাশসীমা ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি।”
তিনি আরও বলেন, অভিযানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তা ছিল “অসাধারণ এবং কার্যকর।”

অন্যদিকে তেহরান জানায়, ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ইরান প্রায়ই বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজের অভিযোগে নাগরিকদের আটক ও বিচারের আওতায় আনে।

সাম্প্রতিক এই অভিযান এবং পাল্টাপাল্টি ঘোষণায় বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধের সরাসরি সংঘর্ষ থেমে গেলেও ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে গোয়েন্দা লড়াই ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও তীব্র হচ্ছে।