ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের গাড়িতে ভয়াবহ হামলা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • ৬৩২ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। হামলাটি ঘটে মঙ্গলবার, যখন সেনারা এলাকায় টহল দিচ্ছিল। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই সাতজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হন। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশের বয়স ছিল ১৯ থেকে ২১ বছরের মধ্যে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলায় ব্যবহৃত হয় শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইস, যা সরাসরি তাদের ‘পিউমা’ নামের সাঁজোয়া গাড়িটিকে টার্গেট করে বিস্ফোরিত হয়। হামলার পর উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভিতর থেকে কাউকে জীবিত উদ্ধার করা যায়নি।

হামলার দায় স্বীকার করেছে হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেড। তারা দাবি করেছে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত প্রতিরোধমূলক আক্রমণ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিহত সেনাদের “বীর শহীদ” হিসেবে উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, একই দিনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৭৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। চলমান সংঘর্ষে ইসরায়েলি বাহিনীর মৃত্যুর সংখ্যা ৮৬০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা যায়।

এই ঘটনাটি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের আরও একটি উত্তাল অধ্যায় হিসেবে সামনে এলো, যেখানে দুই পক্ষই মারাত্মক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিদিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেমদের সম্মানী হিসেবে ১০,০০০ টাকা নির্ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের গাড়িতে ভয়াবহ হামলা

আপডেট সময় ১২:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। হামলাটি ঘটে মঙ্গলবার, যখন সেনারা এলাকায় টহল দিচ্ছিল। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই সাতজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হন। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশের বয়স ছিল ১৯ থেকে ২১ বছরের মধ্যে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলায় ব্যবহৃত হয় শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইস, যা সরাসরি তাদের ‘পিউমা’ নামের সাঁজোয়া গাড়িটিকে টার্গেট করে বিস্ফোরিত হয়। হামলার পর উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভিতর থেকে কাউকে জীবিত উদ্ধার করা যায়নি।

হামলার দায় স্বীকার করেছে হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেড। তারা দাবি করেছে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত প্রতিরোধমূলক আক্রমণ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিহত সেনাদের “বীর শহীদ” হিসেবে উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, একই দিনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৭৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। চলমান সংঘর্ষে ইসরায়েলি বাহিনীর মৃত্যুর সংখ্যা ৮৬০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা যায়।

এই ঘটনাটি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের আরও একটি উত্তাল অধ্যায় হিসেবে সামনে এলো, যেখানে দুই পক্ষই মারাত্মক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিদিন।